বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৭

(পরমাণুগল্প) যন্ত্রণাময় জীবন

(পরমাণুগল্প) যন্ত্রণাময় জীবন হামিদ হোছাইন মাহাদী বিয়ে হয়েছে মাত্র একবছর হলো সাদিয়ার। শাশুরবাড়িতে শত যন্ত্রণা পাওয়ার পরেও কখনো কিছুই শেয়ার করেনা কাউকে।অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ায় সংসারের সব কাজ গুছিয়ে করতে পারেনা।প্রতিনিয়ত শাসিত হয় শাশুড়ির দ্বারা।স্বামী চাকরী শেষে রাত্রে বাসায় ফিরলে শাশুড়ি তাঁর ছেলেকে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ দেয়।পরে ছেলে স্ত্রীকে মায়ের কথা অনুযায়ী গালিগালাজ ও শারীরিক আঘাত করে যায়।তবু শাশুরবাড়ির এ যাতনা প্রতিনিয়ত সয়ে যায় সাদিয়া।একদিন তরকারীতে লবণ বেশি হওয়ায় রান্না ঘরেই সাদিয়াকে ঝাড়ু দিয়ে মারতে উঠে শাশুড়ি। সাদিয়া বলে, মা ভুল হয়ে গেছে। আর হবেনা এমন।বারবার কেনো তোমার ভুল হয়? এমন প্রশ্ন করে শাশুড়ি। চুপ করে থাকে সাদিয়া।বুড়ো শাশুড়ির আছে শারীরিক বিভিন্ন রোগ।মাঝেমাঝে এমন অসুস্থ হয়ে যায়,মনে হয় দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে।সাদিয়া কখনো শাশুড়ির সেবা করতে কার্পণ্য করেনি।রাতের আঁধারে শাশুড়ির আওয়াজ শুনলে দৌড়ে ঘুম থেকে ওঠে যায়।বলে, মা কী হয়েছে আপনার? এতোকিছুর পরেও সাদিয়া সাংসারিক জীবনে সুখের ছোঁয়া পাইনি।নিজেনিজে ভাবতে থাকে, জীবনটা কেনো এতো কঠিন? কোনো উত্তর পাইনা সাদিয়া।একদিন মা দেখতে আসলো সাদিয়াকে।জিজ্ঞেস করলো, মা কেমন কাটছে তোমার সংসার? সাদিয়া বলে,আল্লাহর রহমতে ভালোই কাটছে। আমার শাশুড়ি আম্মু অসুস্থ। একটু দোয়া করবেন।মাকেও কষ্টের কথা জানায়নি কখনো।বাসায় মেহমান আসলেও সর্বোচ্য চেষ্টা করে সুন্দরভাবে আপ্যায়ন করাতে।কিন্তু কৃতজ্ঞতা কভু পাইনি।উল্টো সামান্য ভুল হলেই শুনতে হয় শাশুড়ির বড়ো বড়ো কথা।সাদিয়া মন খারাপ না করে স্রষ্টার কাছে বলে, আমার মতো যেনো কোনো মেয়ে সংসারে এমন কষ্ট কখনো না পাই। মোরাল: আপন ছেলের বউকে যদি অপর ভাবে তাহলে সেই সংসারে কখনো সুখ আশা করা যায়না। ২৪/০৯/২০১৬

প্রতীক্ষার প্রহর

প্রতীক্ষার প্রহর হামিদ হোছাইন মাহাদী এখনো প্রহর গুনি তোমার প্রতীক্ষায় সদা যেনো জীবনের ভুলগুলো শোধরিয়ে নিতে পারি প্রতিনিয়ত পাপের সাগরে ডুবে আছি বলেই চিন্তাজগতের মাঝে তোমাকে স্মরি এখন আর আসেনা আগের মতো হাসি ফ্যাকাসে হয়ে থাকে সর্বদা অবয়ব নদীর তীরে বসে অতিবাহিত করি কালান্তিকরণ মাঝেমাঝে রৌদ্রের খরতাপ সইতে না পেরে স্নান করতে নেমে যায় নদীর নীরে নিশি হলেই তাকিয়ে থাকি নীলিমার পানে কাটিয়ে দিই সেথায় প্রদোষকালীন মূহুর্তগুলো জীবনের বাকি সময়গুলো কাটাতে চাই আনন্দ আর ভালোবাসা দিয়ে তোমার সাথে। ২৯/০৯/২০১৬

আজও ভেসে আসে লাশের দুর্গন্ধ

আজও ভেসে আসে লাশের দুর্গন্ধ হামিদ হোছাইন মাহাদী - আমাকে ক্ষমা করো হে প্রিয় ভূমি... স্বাধীনতা এনেছিলাম হায়েনাদের হাত থেকে তোমাকে বাঁচাতে তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজও শুনতে হচ্ছে ধর্ষিতা বোনের আর্তনাদ শুনতে হচ্ছে তনু,আফসানা,খাদিজার মায়ের রোধন স্বপ্নের মাঝেও হঠাৎ জেগে উঠি শুনি গগণের চিৎকার ধ্বনি মুজাহিদ,শিপন,জসিমের লাশের গন্ধ এখনো ঘুরেবেড়ায় আকাশে-বাতাসে সাগর-রুনির সন্তান মেঘের আম্মু আম্মু বলে চিৎকার মনের মাঝে ঘুরপাক খায় প্রতিনিয়ত ফুলের সুবাসের পরিবর্তে পবনের সাথে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ নিলয়-নিকেতন সবকিছু আজ অনিরাপদ পশুকে হার মানাচ্ছে কিছু তরুণের তারুণ্য হিংস্রজন্তুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ছে যুবতীর উপর তাদের জন্য নেই কোনো আইনের এজলাস নেই কোনো প্রশাসনের বাধা স্বাধীনতার চুয়াল্লিশ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও কর্ণকুহরে ভেসে আসে শত্রুর বারুদের শব্দ এখনো প্রতিক্ষণে প্রহর গুনি আমার সেই সার্বভৌমত্বকে ফিরে পাওয়ার। ০৫/১০/২০১৬

প্রশ্ন

প্রশ্ন হামিদ হোছাইন মাহাদী স্বাধীন দেশেই জন্ম নিয়ে বোন কেনো আজ ধর্ষিত? সুশীল সমাজ তোমার কাছে প্রশ্ন এখন রাখছি তো। সবকিছুতে মাথা ঘামাও এখন কেনো চুপ আছো? অন্য বিষয় হলেই দেখি সবাইমিলে ধুপ নাচো। আর কতো আর দেখবো এমন বোন যে আমার লাঞ্চিত, ওগো সুশীল একটু ভাবো আইন যে আমি মানছি তো ! ০৬/১০/২০১৬

বাদলের অপেক্ষায়

বাদলের অপেক্ষায় হামিদ হোছাইন মাহাদী - হঠাৎ গগণের মেঘ আচ্ছন্ন ! গর্জনে ভারী হয়ে উঠলো আকাশ-বাতাস খুলে গেলো আমার আঁখি যুগল বাহিরে দেখি রিমঝিম বৃষ্টির শব্দ আবহাওয়া আজ অনেক মনোরম শীতল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে... একটু আধটু অন্ধকাররূপ ধারণ করছে। কল্পনার জগতে পাড়ি জমালো আমার ছোট্ট মনটি। অনেক প্রতীক্ষার পর ফিরে আসলো আকাঙ্ক্ষিত প্রিয়তমা, যার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর গুনছিলাম। হৃদয় জুড়ে গেলো আমার প্রেয়সী গ্রহণ করে নিলো আমাকে তাঁর মনোমুগ্ধকর আকর্ষণে। ভিজিয়ে দিলো আমার কায়া যা ভাবছিলাম তা পূর্ণ হলো এখনো কর্ণকুহরে ভেসে আসছে প্রেয়সীর গুড়গুড় শব্দ। হে প্রেয়সী !তোমাকে স্বাগত জানাই... আমার হৃদয় কষ্ট অনুভব করলে আশা করি তুমি শীতল করে দিবে....। ২৪/০২/২০১৬ চকবাজার,চট্টগ্রাম।

মায়ের ভালোবাসা

মায়ের ভালোবাসা হামিদ হোছাইন মাহাদী একটি অক্ষর।একটি শব্দ।যার তাৎপর্য বর্ণনা করতে গেলে সমুদ্রের জল শেষ হয়ে যাবে।সেই শব্দটা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয়।যে নাম মুখে নিলেই প্রাণ ভরে যায়।দুঃখময় মূহুর্ত সুখে পরিণত হয়।মনের বেদনা দূর হয়ে যায়।দশমাস দশদিন গর্ভে ধারণ করে কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে ধরণীর অবয়ব দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন, সে হলো আমাদের মা।কতো রাত নির্ঘুম কাটিয়ে দিয়েছেন শুধু আমাদের সেবা করতে গিয়ে।আর কতো রাত কোলে বসিয়ে, দোলনায় দোল দিয়ে,আদর চুমু দিয়ে রাত অতিবাহিত করেছেন সে হিসেব নাই।আজ হাঁটিহাঁটি পা পা করে বড়ো হলাম।এখনো মা বলে, বাবা তুই কেমন আছিস? দিনকাল কেমন যাচ্ছে তোর? কিন্তু অদৃষ্টের পরিহাস, আমাদের একটু সময় থাকেনা সেই গর্ভধারিণী মায়ের খবর নিতে।ছাত্রজীবন পার করে সাংসারিক জীবনে সুন্দর স্ত্রী পেয়ে হাজারো দুর্ভাগা ভুলে যায় তাঁর মাকে।মা থাকে গ্রামে,আর তিলতিল করে বড়ো করা ছেলেটি থাকে স্ত্রীকে নিয়ে নগরে।তবু এই মা কখনো বলে না,বাবা আমি কষ্টে আছি।আমাকে একটু দেখতে আয়।ফোন করলে বলে,বাবা তুই সুখে আছিস কিনা বল।তুই সুখে থাকা মানে, আমি সুখে থাকা।আমাদের রাসূল (সঃ) তো বলেই গিয়েছেন, মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত। মাকে কষ্টে রেখে কখনো আশা করা যায়না বেহেশত।যে সন্তানের উপর পিতামাতা অসন্তুষ্ট সেই সন্তানের মতো হতভাগা পৃথিবীতে দ্বিতীয় আর নেই।কারণ,আল্লাহ সেই ব্যাক্তির উপর সন্তুষ্ট,যার উপর পিতামাতা সন্তুষ্ট। আর তিনি তাদের উপর অসন্তুষ্ট, যার উপর পিতামাতা অসন্তুষ্ট।রাগের বশবর্তী হয়ে অনেকে আছে, মাকে গালি দেয়;অনেকে আছে মাকে ঘর থেকে বাহির করে দেয়।আর মা বলে,যাকে এতো কষ্ট করে বড়ো করলাম,আজ তাঁর শত্রু হয়ে গেলাম।এমন সন্তান জন্ম না দিলে হয়তো ভালো হতো। কোনো মা যখন এ কথাগুলো মুখ দিয়ে বের করে তখন স্রষ্টার আরশ কেঁপে উঠে।আর ফেরেশতারা ঐ হতভাগা ব্যাক্তির উপর লানত করতে থাকে।আজকে তুমি সুখী হওয়ার পিছনে কার অবদান তা কখনো কি ভেবে দেখেছো? বৃদ্ধে যখন উপনিত হয় মা, তখন একটু চায় ছেলেদের কাছে সাহায্য, কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় সুখের সাগরে বাস করতে গিয়ে অধিকাংশ ছেলেদের মায়ের খবর নেওয়ার সুযোগ হয়না।কিভাবে মা আপনাকে বড়ো করেছেন তা একটু ভাবুন।স্মরণ রাখবেন, বৃদ্ধাশ্রম যেনো কোনো মায়ের ঠিকানা না হয়।যদি হয়, তাহলে দুনিয়াও শেষ,পরকালও শেষ।

জুমার দিনে

জুমার দিনে হামিদ হোছাইন মাহাদী - জুমার দিনে চলো সবাই মসজিদে ছুটি, প্রভুর নামে করবো জিকির সিজদাতে লুটি। - সবাই জন্য করবো দোয়া দু'হাত তুলে, এক কাতারে দাঁড়াবো যে প্রভেদ ভুলে। - হাত মিলিয়ে বলবো তাদের কেমন আছো ভাই? আমরা সবাই থাকবো মিলে যে যেদিকে যাই। ০৭/১০/২০১৬

রসের হাঁড়ি

রসের হাঁড়ি হামিদ হোছাইন মাহাদী - একদা এক নদীর ধারে থাকতো বুড়ি থাকতো সদা তাঁরই কাছে ফলের ঝুড়ি। একদিন আমি গিয়েছিলাম বুড়ির পাশে বুড়ি তখন আমায় দেখে মুচকি হাসে। বললাম আমি ওগো বুড়ি আছো কেমন বললো আমায় কোনোমতে আছি যেমন। একটু আমায় দিবে কিনা ফলের রস রসগুলো সব না হয় যেনো একটুও কশ। বুড়ি বলে আনছো কিছু রস যে নিতে? আনছি আমি একটা বোতল তোমায় দিতে দিলো আমায় রসের হাঁড়ি পরিশেষে আসার সময় সোহাগ দিলো ভালোবেসে। ০৯/১০/২০১৬

শিশুদের প্রতি আচরণ: আমার ভাবনা

শিশুদের প্রতি আচরণ: আমার ভাবনা হামিদ হোছাইন মাহাদী - শিশুদের প্রতি সুন্দর আচরণ, তাদের সাথে বসে খোশগল্প ,মুচকি হেসে কথা বলা ইত্যাদি অভ্যাস আমার ছোটকাল থেকেই। যেখানে যাই না কেনো ছোটোদের দেখলেই কাছে টেনে নিই। জিজ্ঞেস করি, কেমন আছো ভাইয়া? কোন ক্লাসে পড়ো তুমি? তোমাদের স্কুলের নাম কী? এমন অনেক প্রশ্ন করে তাদের বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করি। সেজন্য যেখানে থাকি সেখানেই ছোটোদের নিয়ে আমার একটা টিম থাকে। তাদেরকে প্রায়ই বলি, ইচ্ছে হয় তোমাদের মতো হয়ে যেতে। কিন্তু অতীত তো আর ফিরে আসবে না। আপনি যখন ছোটোদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করবেন,দেখবেন তারা অনেকবেশি আনন্দ অনুভব করবে। জিজ্ঞেস করুন, ভাইয়া তোমার প্রিয় খেলা কী? চলো একসাথে মাঠে খেলি। এভাবে যখন তাদের সাথে কথা বলবেন,দেখবেন তখন তারা সদা আপনার পিছু থাকবে। শিশুরা স্বভাবত চায় তাদের সাথে এসে কেউ গল্প করুক। আজকে যখন টিউশনে গেলাম; দেখি ৪/৫ জন শিশু আগে থেকে Reading room এ খেলা করতেছে। অনেকে আছে বিরক্তবোধ করে শিশুদের চেঁচামেচি দেখে। স্টুডেন্টকে পড়া দিয়ে শুরু করলাম তাদের সাথে আড্ডা। প্রথমে কোথায় পড়ে জিজ্ঞেস করলাম। বললো, ইংলিশ মিডিয়ামে। তাদের সাথে এবার ইংরেজিতে কথা বলতে শুরু করলাম। তারা তো মহাখুশি! ভেতর থেকে মা আর তাদের নানু ডাকতেছে চলে আসার জন্য। দেখি, কেউ আর যায় না। শেষ পর্যন্ত আমার চেয়ারেই বসে বসে আমার সাথে গল্প করে যাচ্ছিল কেজিতে পড়া একটি শিশু।অন্যরাও দৌড়ে দৌড়ে খেলা করতেছে আর আমার সাথে মজা করতেছে। মূলত বলতে চাচ্ছি, শিশুর মন-মানসিকতা বুঝে তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করুন।শিশুর সামনে কখনো রূঢ় ব্যবহার করবেন না। শিশুদের ব্রেইন খুব Sharp থাকে। তাই তাদের কাছে যা বলবেন তা তারা বড়ো হয়ে অন্যের সাথে বলবে। হাস্যেজ্জল মন নিয়ে তাদের সাথে কথা বলুন। কোনো কাজে ভুল করলে কখনো ধমক দিবেন না। বলুন, ভুল করেছো কোনো সমস্যা নাই। আবার চেষ্টা করো। অনেক টিচার ছাত্রদের গায়ে হাত তুলে। বেত্রাঘাত করে। এভাবে কখনো শিশুদের শাসন করা সমীচীন নয়। সর্বোচ্য একটু ভয় লাগাতে পারেন। পড়া না পারলে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিন। পিতা-মাতার উচিত, সন্তানের কী চাওয়া, সন্তান কী খেলতে পছন্দ করে, কী খেতে পছন্দ করে তা পূরণ করা। চীনদেশে একটা সংস্কৃতি চালু আছে, একটা শিশু যখন বসতে শুরু করে তখন তারা বিভিন্ন খেলনাদ্রব্য তাদের সামনে এনে দেয়। তখন শিশুরা যেটার প্রতি খুব আগ্রহ সেসব খেলনার আরো বিভিন্ন উন্নতমানের খেলনা তাদের সামনে এনে দেয়। তারা এগুলো ভাঙে আবার অভিভাবকরা জোড়া লাগিয়ে দেয়। এভাবে একটা সময় দেখা যায়, একটা শিশু ছোটোকাল থেকেই শিখে নেয় খেলনাগুলো কিভাবে লাগানো থাকে। আর এসব শিশুদের থেকেই উঠে আসে অল্পবয়সে অসংখ্য ক্ষুদে বিজ্ঞানী। ১১/১০/২০১৬

নারীনির্যাতন

নারীনির্যাতন হামিদ হোছাইন মাহাদী মায়ের জাতি বোনের জাতি শ্রেষ্ঠ সৃজন নারী, তবু, স্বামীও করে রাষ্ট্রও করে তাঁর জন্য আইন জারি। শারীরিকও মানসিকও স্বামী করে নির্যাতন, শাশুরবাড়ির শাশুড়ি মাও করে যায় যে নিপীড়ন। যারা এখন দেয় শ্লোগান আমরা নারীবাদ, তাদের কাছে পায় না শোভা নারীর আশীর্বাদ । সেদিন হবে পরিপূরণ নারীর অধিকার, নারীর মান করবে না কেউ যেদিন অস্বীকার। ১২/১০/২০১৬

কীযে এখন করি

কীযে এখন করি হামিদ হোছাইন মাহাদী - আসছে না আর কাব্য-ছড়া কীযে এখন করি, বলবে কী আর একটু আমায় কোন পথ এখন ধরি? কোন থিউরি করলে ফলো লিখতে পারবো ছড়া, আগের মতো হয় যেনো সব অনেক বেশি কড়া। নাইবা লিখলে কোনোকিছু হয়না লেখা বের, চিন্তা করলাম এখন আবার লিখবো কাব্য ঢের। ১৯/১০/২০১৬

বোনরা আমার

বোনরা আমার (এক প্রিয় বন্ধুর আকুতিতে লেখা) হামিদ হোছাইন মাহাদী - বোনরা আমার অধিক প্রিয় সকল কিছুর মাঝে, চেষ্টা করি থাকতে সদা তাদের সকল কাজে। শৈশব থেকে আদর-সোহাগ করছে আমায় তারা, কখনো যে কোথাও আমি যাইনি তাদের ছাড়া। অসুখ হলে করতো সেবা থেকে পাশে আমার, আনতো তারা আমার কাছে হরেকরকম আহার। খোদার কাছে বলতাম আমি,ওগো আমার রব! বোনদের আমার আশাগুলো পূরণ করো সব। বড়ো যখন হলাম আমি নেইতো এখন কাছে, জানিনা তো বোনরা আমার একটু কেমন আছে? মনে পড়ে বসলে খেতে বোনদের ভালোবাসা, নেইতো কেহ এখন পাশে দিতে আমায় আশা। দূরে এখন আছি বলেই নেয় না কেহ খবর, হয়তো একদিন এমনভাবেই যেতেই হবে কবর। কেউ বলে না ফোন করেও কেমন আছিস ভাই? অনেক হলো দিন তো এখন একটু বাড়ি আয়? একাকী আজ কাটছে আমার ইহকালীন সময়, জানিনা কি জীবন আমার হবে কিনা অজয়! ২৩/১০/২০১৬

আজও শকুনের পদচিহ্ন বিদ্যমান

আজও শকুনের পদচিহ্ন বিদ্যমান হামিদ হোছাইন মাহাদী - রক্তাক্ত হয়েছিলাম সেদিন বুকের ভেতরকার ফুসফুস ফেটে চৌচির হয়ে পড়ছিলো মরুভূমির বালুচরের মতো, কিছুই বলিনি তবু সব ব্যাথা হৃদয়ে গেঁথে রাখলাম যেভাবে পুষ্পকে মালার সাথে গেঁথে রাখি। আমার কায়ার শার্টের রক্তিম দাগ আজও শুকায় নি; কামানের বারুদ দিয়ে আঁখির সম্মুখে উড়িয়ে দিয়েছিলো আমার বোনের মৃতদেহ চিৎকার দিয়েছিলাম সেদিন, এমনকি গগণের পয়োধর দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করছিলো, সূর্যের উজ্জ্বল খরতাপ হারিয়ে গিয়েছিল, নেমে এসেছিলো তমিস্রাভাব। শকুনেরা আমার বোনের উপর চালিয়েছিল নির্যাতনের স্টিমরুলার ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, সিরিয়া,ইরাকের প্রতিটি জনপদের প্রান্তদেশে আজও শকুনের পদচিহ্ন বিদ্যমান। পৃথিবীকে তারা রাখতে চায় অশান্তির স্তুপ হিসেবে, চায় হিরোসিমা ও নাগাসিকার মতো ধ্বংসযজ্ঞ করে যেতে। নিপাত যাক শকুনের আস্তানা ধ্বংস হোক শকুনের সকল পাঁয়তারা। ২৪/১০১১৬

শীত এসেছে

শীত এসেছে হামিদ হোছাইন মাহাদী - শীত এসেছে শীত এসেছে ফুল-পাখিরা গীত ধরেছে বাড়ির আঙিনায়, খুকুমণি কিনছে সুয়েটার নিউ মার্কেট যায়। - শীতের পিঠা খাবো এবার খাবো আরো হরেক খাবার গাঁয়ের বাড়ি গিয়ে, হবে এবার ঝাকঝমকে খালামনির বিয়ে। - ভালো লাগে শীতের হাওয়া হয় যে সুযোগ ঘুরতে যাওয়া বন্ধুদের সাথে, ঘুরতে বেরোই পার্কে-বিচে দিনে ও রাতে।

Fear and fear to be his dear

Fear and fear to be his dear Hamid Hossain Mahadi Try to be good unless lose your road Oh my dear guy! Don't tell a lie. Remember your God Who has created you and also Christ orJew mind it, He is your Lord. Forget never don't disobey ever. Make himself as best Worship without rest If you want to be his nearest If you want to be his dearest. Fear and fear to be his dear. 23/12/2016

(বিজ্ঞান গল্প) ঈশ্বরের খোঁজে দু'বজ্ঞানী

(বিজ্ঞান গল্প) ঈশ্বরের খোঁজে দু'বজ্ঞানী হামিদ হোছাইন মাহাদী (আশা করি সবাই পড়বেন) কি অপরুপ সুন্দর আমাদের এই ভূমণ্ডল! মাথার উপরে নক্ষত্র খচিত নীল আকাশ, আর ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে আছে পাহাড়-পর্বত, সাগর-নদী,মালভূমি, বনভূমি, মরুভূমি ইত্যাদি। এসব কিভাবে সৃষ্টি হলো? কখন থেকে এদের উৎপত্তি? এ রকম হাজারো প্রশ্নের বেড়াজালে আবদ্ধ দুই কিশোর বিজ্ঞানী জন মেন্ডল এবং জন মেকেন।দু'জনই ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ স্কুলে অধ্যয়নর। জন মেন্ডল ক্লাসের ফাস্ট বয়।সে বিশ্বাস করেন,পৃথিবী এমনি এমনি সৃষ্টি হয়নি।একজন সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব বিদ্যমান রয়েছে। অপরদিকে জন মেকেন বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী,অর্থাৎ THERE IS NO GOD -থিউরিতে বিশ্বাস করে। আরো বিশ্বাস করে যে,মানুষের আদি উৎস বানরের থেকে। দির্ঘদিন ধরে কিশোর এ দু'বজ্ঞানী গবেষণা করে যাচ্ছে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে। জন মেন্ডল তাঁর সহপাঠী জন মেকেনকে বললেন, আজ পদার্থ ক্লাস নিবেন আমাদের প্রিয় টিচার জন ক্যাম্পবেল। নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাস শুরু হলো। স্যার ক্লাসে ডুকলে সবাই দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানালো। জন মেন্ডল স্যারকে অনুরোধ করলেন, স্যার, আমাদের গবেষণার বিষয় স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে।আশা করি,আমাদের এ বিষয়টির ফলাফল আজই পাবো। আমরা দু'বন্ধু দির্ঘদিন ধরে দ্বন্ধে আছি এ বিষয়টি নিয়ে,বলল জন মেন্ডল। লেকচার শুরু করলেন স্যার। "তোমাদের আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, যা সকল দ্বন্দ্ব ও বিতর্কের উর্ধ্বে ।একটা নির্দিষ্ট যুক্তিযুক্ত ফলাফল পাবে শিঘ্রই।" শোন,হে শিক্ষার্থীরা! একটু ভেবে দেখো,মহাবিশ্বের অগণিত গ্রহ-নক্ষত্র নিজ কক্ষপথে ঘূর্ণমান।প্রতিটি নক্ষত্র পৃথিবী নামক গ্রহ থেকে লক্ষ লক্ষ গুণ বড়ো। এসব নক্ষত্ররাজ একটি থেকে অপরটির দূরত্ব হাজার-কোটি মাইল।DRIVER ছাড়া যেমন একটি গাড়ি চলা অসম্ভব, তেমনি মহাকাশের লক্ষ লক্ষ গ্যালাক্সি, ছায়াপথ,নীহারিকা DRIVER বিহীন পরিচালিত হওয়া অসম্ভব। ড্রাইভার না থাকলে একটির সাথে অপরটির সংঘর্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে যেতো মহাকাশে। মহাশূন্য, ছায়াপথ, গ্রহ-নক্ষত্র, ও বিলিয়ন বিলিয়ন প্রজাতি তথা প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত সহ এই ন্যাচারাল মহাবিশ্ব এমনি এমনি সৃষ্টি হতে পারে না। একদমই অসম্ভব। শূন্য থেকে তো দূরে থাক, এমনকি সবকিছু ব্যবহার করেও তার মতো ছোট-খাটো একটি মডেলও কেউ তৈরী করে দেখাতে পারবে না। কেউ এই মহাবিশ্বের ছোট-খাটো একটি মডেল তৈরী করে দেখাতে পারলেও শুরু করার মতো তাদের একটা পয়েন্ট থাকতে পারতো, যদিও তাতে প্রমাণ হবে না যে এই মহাবিশ্বের কোন সৃষ্টিকর্তা নাই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সেটাও তারা পারবে না,যারা সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী। ফলে যারা বিশ্বাস করেন যে, তারা নিজেরাসহ এই ন্যাচারাল মহাবিশ্ব এমনি এমনি সৃষ্টি হয়েছে, তারাই হচ্ছে প্রকৃত অন্ধ-বিশ্বাসী ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। এই ধরণের অন্ধ- বিশ্বাস ও কুসংস্কারের আসলে কোন তুলনাই হয় না। এর চেয়ে বরং পেগান ও গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীতে বিশ্বাস অনেক বেশী যৌক্তিক। যাহোক, প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত সহ এই ন্যাচারাল মহাবিশ্ব যেহেতু আছে সেহেতু তার একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতেই হবে। এটি একটি অবজেক্টিভ ও অখণ্ডনীয় যুক্তি। জন মেকেন স্যারের এমন লেকচার শুনে ক্লাস থেকে বের হয়ে পড়লো।ক্লাসের অন্য FRIENDS রা তা দেখে শুধু হাসছিলো।এদিকে জন ম্যান্ডেল সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে স্যারের কাছ থেকে আরো কঠিন যুক্তি শিখে নিলো। স্যার বললো, মেন্ডল তুমি কি জানো,মহাবিশ্ব সৃষ্টির পিছনে কী উপকরণ ছিলো? না স্যার জানিনা, বললো জন মেন্ডল। আচ্ছা শোন,মহাবিশ্বের সৃষ্টির শুরুতে প্রথমে তৈরি হয়েছিলো পরমাণু। আর পরমাণু গঠিত হয়েছে তিন ধরণের জিনিস দিয়ে - ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন।আমরা সবাই জানি,পরমাণু হচ্ছে পদার্থের ক্ষুদ্র অবস্থা। পরমাণু খুবই ক্ষুদ্র প্রকৃতির। কিন্তু কতো ক্ষুদ্র তা কি জানো? না স্যার,উত্তর দিলো জন মেন্ডল। "পরমাণুকে আলাদা করে জানতে চাওয়া মানে পৃথিবী থেকে খালি চোখে চাঁদের বুকের একটি বালুকণা দেখার মতোই বিষয়।যেমন অসম্ভব বিষয় বহু মাইল উপর থেকে এক সাগর পানির মধ্য থেকে এক ফোঁটা পানিকে আলাদা করে দেখা।আর ঠিক একই উপায়ে প্রতিটি বালুকণা বা পানিবিন্দু গড়ে উঠেছে অসংখ্য পরমাণুর সংমিশ্রণে।এক ফোঁটা পানিতে পরমাণু আছে প্রায় ৩৩০০০ মিলিয়ন বিলিয়নেরও বেশি। ৩৩ লিখে ডানে ২০টি শূন্য বসালে যে সংখ্যা দাঁড়ায়,এক ফোঁটা পানি গড়ে উঠেছে ততগুলো পরমাণু দিয়ে।তা হলে ভেবে দেখো,এক ফোঁটা পানি তৈরিতে কী বিপুল পরমাণুর মিশ্রণ! তাহলে কিভাবে মানুষ স্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করে? এক ফোঁটা পানিতে পরমাণুর যে সংখ্যাটা তোমাকে বললাম,তা যদি কেউ সারাজীবন ধরে একটি একটি করে গণনা করে তা হলে কতো বছর লাগবে জানো? প্রায় একহাজার মিলিয়ন বা দশহাজার লাখ বছর।আরেকটা সংবাদ শুনলে হয়তো আশ্চর্য হবে, পরমাণু এমনই ক্ষুদ্র যে আজ পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞানীই পরমাণু চোখে দেখেন নি।আজ পর্যন্ত এমন কোনো যন্ত্রও আবিষ্কার হয়নি যা দিয়ে পরমাণু দেখা সম্ভব।এই পরমাণু হচ্ছে সৃষ্টির ক্ষুদ্রতম অবিভাজ্য মৌল উপাদান।পরমাণু থেকে হয়েছে মৌলিক পদার্থ। মৌলিক পদার্থ একত্রিত হয়ে তৈরি করেছে নানা ধরণের যৌগিক পদার্থ। আর এসব কিছুই বিশ্বসৃষ্টির কাঁচামাল। ঠিক আমাদের পৃথিবীও সৃষ্টি হয়েছে এসব মৌলিক উপাদান দিয়ে। এতো নিপুণভাবে সৃষ্টিজগত যে বিদ্যমান আছে, তা কিভাবে স্রষ্টা ছাড়া সম্ভব! বললো, জন ক্যাম্পবেল। পরিশেষে প্রমাণিত হলো যে, ঈশ্বর বলতে অবশ্যই নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলে একজন আছে,যার ইশারায় পরিচালিত হচ্ছে পুরো মহাবিশ্ব। স্যারের সুন্দর ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য জন মেন্ডল স্যারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলো।ক্লাস শেষ করে স্যার বেরিয়ে পড়লো।এরপর জন মেন্ডল বন্ধুদেরকে সাথে নিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব সম্পর্কে আরো বিশদ আলোচনা করতে লাগলো।

স্বপ্ন

স্বপ্ন হামিদ হোছাইন মাহাদী তোমরা যেমন স্কুলে যাও ব্যাগ পিছনে নিয়ে, ইচ্ছে হয় যে যেতে আমার সবার মতো ছবি আঁকার পাঠশালাতে গিয়ে। কেউ কখনো বললো নাযে চলো আমার সাথে, তোমার মতো ইচ্ছে হয় যে লিখতে কলম হাতে। সবার মতো হতেই বড়ো স্বপ্ন আমার আছে, একটু যদি পারো আমায় রেখো তোমার কাছে। আপন কেহ নেই যে আমার এই দুনিয়ায় ভাই, কষ্ট নিয়ে কোনোভাবেই দিনটা কেটে যায়। ০৩/১১/২০১৬

চবির সুবর্ণ জয়ন্তী নিয়ে লেখা হামিদ হোছাইন মাহাদী’র গান

চবির সুবর্ণ জয়ন্তী নিয়ে লেখা হামিদ হোছাইন মাহাদী’র গান জন্মদিন জন্মদিন জন্মদিন আজ তোমারই জন্মদিন। ৫০ পেরিয়ে তুমি আজ, এসেছো আমাদের মাঝে, তাই করেছি বরণ তোমায় বর্ণিল সাজে… হাজার হাজার তোমার থেকে বের হয়েছে আজ কতো জ্ঞানী, নিজ ভূখণ্ড পেরিয়ে দেশ-বিদেশে তারা করেছে খ্যাতি। তুমি আজ মুখরিত প্রাক্তনদের পদচারণায়, তুমি আজ পুলকিত হাজারো সারথির মোহনায়.. আসলো ফিরে সেই সোনালী দিন। জন্মদিন জন্মদিন জন্মদিন আজ তোমারই জন্মদিন। সাজিয়েছি তোমাকে মনের মাধুরী দিয়ে, সবাই যে মিলে গাইবো গান আজ… বন্ধুরা মিলে, হাতে হাত রেখে করবো সবাই নাচ… হাজারো ব্যনারে, সকল অনুষদের শ্লোগানে শ্লোগানে, হবে আজকে র্যালি, এসো তুমি আজ, আমাদেরই সাথে করবো আনন্দ, সব ভেদাভেদ ভুলি। আমাদের ক্যাম্পাস, আমাদের স্বপ্ন আমরা গর্বিত আজ, সুবর্ণ জয়ন্তী, উৎসব হবে তাই করেছি তোমায় সাজ। জন্মদিন জন্মদিন জন্মদিন আজ তোমারই জন্মদিন। শিক্ষার্থী:- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদ আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ।

কবি যদি হও একটু শুনে নাও

কবি যদি হও একটু শুনে নাও হামিদ হোছাইন মাহাদী - কাব্য লিখতে সবাই তো আর পারে না যে ভাই, এই নেয়ামত প্রভুর থেকে কবি-লেখক পায়। যুগে যুগে আসছে অনেক সেরা মানের কবি, কাব্য দিয়ে আঁকছে তারা প্রেমিকাদের ছবি। অনেক কবি কাব্য দিয়ে গাইছে প্রভুর গান, কাব্য দিয়ে লিখছে অনেক মোদের নবীর শান। তোমার মাঝে থাকে যদি কাব্য লেখার গুন, শুকর করো রবের কাছে ওগো ভাই ও বোন। নবী মোদের করছেন দোয়া কবিদেরই জন্য, লিখবে যারাই সত্য কথা হবে তারাই ধন্য। ০৭/১১/২০১৬

ভালোবাসার ডায়েরি

ভালোবাসার ডায়েরি হামিদ হোছাইন মাহাদী - এক শান্ত রজনীতে ভালোবাসায় স্নান করতে গিয়ে সেদিন তোমাকেই খুঁজে পেয়েছিলাম, তাই হৃদয়ে তোমায় রেখেছিলাম গেঁথে; যেভাবে মালার মাঝে পুঁতিকে গেঁথে রাখে। তোমার পূর্ণিমা চাঁদের ন্যায় অবয়ব দ্যাখে আমি নিতান্ত পুলকিত অনুভব করছিলাম সেদিন। তোমাকে এতই রূপসী মনে হয়েছিলো যে, মনে হয় যেনো নূপুর ও বাহুর অলঙ্কারসমূহ এরেণ্ডা বৃক্ষের ন্যায়। শ্যামবর্ণের অধরে মুচকি হাসি দিয়ে আমার হৃদয় শীতল করে দিয়েছিলে। সূর্যালোকের কিরণ তোমার দন্তের মাড়ি থেকে প্রতিসৃত হয়েছিলো, আর মেহেদি রাঙা হস্তদ্বয় থেকে ছড়িয়ে পড়ছিল সৌরভ। গোলাপকে যেভাবে আপন করে নেয় সবাই, সেভাবেই আমিও তোমায় আপন করে নিয়েছিলাম। তোমার ঝলমল করা কাজলনয়ন আমাকে অভিভূত করেছিলো, তাই সেদিনই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তুমি-ই হবে আমার জীবনের স্বপ্নের সারথি। তোমার উপর যদি কেউ অপবাদ আরোপ করার প্রচেষ্টা চালায় অথবা তোমার চরিত্র হনন করতে চায় তাহলে সেইসব শত্রুদের হুমকি প্রদর্শনের আগেই মৃত্যুর রস পান করাবো। আর মৃত্যুর শরাব যেদিন পান করবো আমি, সেদিন তোমার তুলতুলে হস্তদ্বয় দিয়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে আর জগদীশ্বরের কাছে আমার জন্য প্রার্থনা করে চারখোটা বিশিষ্ট চৌকিতে তুলে দিবে। জানি, তোমার সাথে কাটানো সময়ে আমার অনেক ভুলত্রুটি হয়েছে আশা করি, সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিবে। একটা উপদেশ থাকবে তোমার প্রতি, রণক্ষেত্রে বীর সৈনিক যেভাবে নির্ভয়ে যুদ্ধ করে; সেভাবে সৎকর্ম করার জন্য যুদ্ধ করে যাবে। কারণ এ জীবন তো ধারকৃত বস্তুর ন্যায় খুব সাময়িক। ১৫/১১/১৬

(লিমেরিক) অভিসম্পাত

(লিমেরিক) অভিসম্পাত হামিদ হোছাইন মাহাদী (১) বৌদ্ধ জঙ্গি মারবি কতো আমার মা ও বোনদের দাবি করিস নিজকে তোরা আপন গৌতম বৌদ্ধের গৌতম বোদ্ধ কখনো তো বলেনি তোদের মতো অস্ত্র সেতো ধরেনি পুড়ে মানুষ মেরে তোরা ডাক দিলি ক্যান যুদ্ধের! (২) শান্তি নোবেল নিয়ে সুচি চুপ কেনো যে আছিস? বুঝলাম এখন আইন যে কেমন কতো তোরা মানিস অশান্তি আজ করছে বিরাজ শান্তি নোবেল নিয়ে কী কাজ অশান্তি সব আনলি রে তুই কভু তাকি জানিস! ২১/১১/২০১৬

এখনো কি জাগবে না!

এখনো কি জাগবে না! হামিদ হোছাইন মাহাদী - মুসলিম ওগো নাও যে শুনে আরাকানের খবর, বৌদ্ধ জঙ্গি মারছে মুসলিম দিচ্ছে জিন্দা কবর। হুশ কি তোমার হবে নাকি আছো কেনো বসে? আর কতোদিন থাকবে কতো আড্ডা-খেলার রসে! মত্ত হয়ে হেলায়-খেলায় আর যে কতো ঘুচবে? সেই জুলুম আর তোমার কাছে আসলে তখন বুঝবে। চুপ করে আর রইবে কতো জাগবে না কি আজ? দেখবে কতো চেয়েচেয়ে রক্ত জমাট ভাজ। জীব যে হত্যা পাপ তো বলে বৌদ্ধ বিধান ধর্মে, মানুষ মেরে করতে উল্লাস দেখছি তাদের কর্মে। নেত্রী তাদের বিশ্ব নোবেল পায় যে নাকি শান্তিতে, শুনছি নাতো তাঁরই থেকে কোনো আওয়াজ ক্রান্তিতে। কেড়ে নেওয়া হোক যে আজই নোবেল সুচি থেকে, চুপ করে সে থাকছে দ্যাখে অস্ত্র সবাই হাতে রেখে মুসলিমদেরই করছে হত্যা আগুন দিয়ে ছেঁকে। ২১/১১/১৬

♦বিপ্লব আমাকে ডাক দিয়ে বলে

♦বিপ্লব আমাকে ডাক দিয়ে বলে♦ -হামিদ হোছাইন মাহাদী বিপ্লব আমাকে ডাক দিয়ে বলে আর কতো ঘুমাবি তুই? মিনারের আযান ভেসে আসছে জেগে উঠ্ ভোরের সূর্যের রঙ বিবর্ণ হয়ে রক্তিম বর্ণ ধারণ করছে স্বপ্নের মাঝেও ভেসে উঠে লাশের স্তুপ মানবতার চিৎকার, মজলুমের আহাজারি, বিপ্লব আমাকে ডাক দিয়ে বলে আর কতো ঘুমাবি তুই? আজ ক্ষমতায়ন আসীন কচুবনের কালাচাঁদ তাই পৃথিবীর শাসকরা এতো উড়ন চণ্ডি ভুলে গিয়েছে বিপ্লবের ইশতেহার ভুলে গিয়েছে বিপ্লবের ইতিহাস ভুলে গিয়েছে তিতুমীর আর শরীয়তুল্লাহর বিপ্লবের ভূমিকা। যেদিকে তাকাই শুনতে পাই গগণবিদারী আর্তনাদ ভেসে আসে কর্ণকুহরে ; আমি বাঁচতে চাই, আমাকে বাঁচাও... তাই বিপ্লব আমাকে ডাক দিয়ে বলে আর কতো ঘুমাবি তুই? ছড়িয়ে পড়ছে ভূগোল জুড়ে বিষবৃক্ষ প্রতিমূহুর্তে অপেক্ষা করছে অকুল পাথার ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় মগ্ন নৃপতিরা যাদের হত্যা করা হচ্ছে তাদের উত্তরসূরিরা পালন করছে সাক্ষী গোপালের ভূমিকা তাই, বিপ্লব আমাকে ডাক দিয়ে বলে আর কতো ঘুমাবি তুই? ২৬/১১/২০১৬

শীত

শীত হামিদ হোছাইন মাহাদী শীতের ঋতু প্রিয় আমার গ্রীষ্ম ঋতু থেকে, শীতের ঋতু আসলে তখন কাটাই সময় এঁকে। আঁকি অনেক হরেক রকম দৃশ্য নদী-নালার, ছবির মাঝে থাকে অনেক রঙবেরঙের কালার।

ইচ্ছে আমার আছে

ইচ্ছে আমার আছে হামিদ হোছাইন মাহাদী - ইচ্ছে হয় যে সবার মতো ইশকুলেতে যেতে, ইচ্ছে হয় যে সবার মতো উঠতে মাঠে মেতে। নেইতো কেহ তাইতো আমায় কেউ তো ডাকে না, পথের শিশু হয়তো বলে কাছেও আসে না। মাঝেমাঝে যাই যে আমি ইশকুলেরই পাশে, আমায় দেখে অনেক শিশু মুচকি মুখে হাসে। তাদের কাছে হরেক রঙের দেখি অনেক বই, ইচ্ছে হয় যে পড়তে আমার তাইতো দেখে রই। আমার কাছেও স্বপ্ন আছে অনেক বড়ো হবো, দেশের মাঝে সকল কাজে সেবক হয়ে রবো। ১২/১২/২০১৬

হবো কাজী

হবো কাজী হামিদ হোছাইন মাহাদী - ছোট্ট খুকু বলছে আজই আমি হবো দেশের কাজী করবো ন্যায় বিচার, আমায় নিয়ে হোক না যতো পত্রিকাতে ফিচার। - করলে অন্যায় ছাড় পাবে না ঘোষ দিলেও কাজ হবে না পাবে নাতো জামিন, টাকা দিয়েও লাভ হবে না বলছি ওগো আমিন। - সুষ্ঠুভাবে করলে বিচার হবে নাতো আর অনাচার প্রিয় দেশের মাঝে, সত্য কথা বললে কাজী সবাই তখন হবে রাজী সকল প্রকার কাজে। - ২০/১২/২০১৬

ক্ষমা করো

ক্ষমা করো হামিদ হোছাইন মাহাদী - আসছি একা এই দুনিয়ায় যাইতে হবেও একা, তোমার সাথে হয়তো আবার হবে নাকো দেখা। ক্ষমা করো যদি আমায় করে থাকি ভুল, পার পাবো না নইলে আমি কাল হাশরে কুল। হরেক সময় হরেক কথায় করছি বেয়াদবি, বলতে গিয়ে আঁকছি মনে শয়তানেরই ছবি। তুমি আমার ছিলে সদা সারাজীবন পাশে, তোমার জন্য তুললে দু'হাত অশ্রু আমার আসে। ঋণ তো কভু তোমার আমি শোধরাতে পারবো না, শেষ দিবসে তুমি আমায় করে দিও ক্ষমা। তোমার পায়ের নিচে আমার আছে নরক-স্বর্গ, এই জাহানে ছিলেই তুমি আপন আমার বর্গ। ২৩/১২/২০১৬